Admission Information

Post Date: 2012-11-21 07:16:40

মেরিন একাডেমী:

বাংলাদেশের একমাত্র বিএসসি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার/নটিক্যাল অফিসার তৈরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেরিন একাডেমী। এটি ১৯৬২ সালে কর্ণফুলী নদীর পূর্বপার্শ্বে চিরসবুজ পাহাড়ের পাদদেশে ১০০ একর ভূমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। যা ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি মালমো, সুইডেন এর একটি শাখা হিসাবে পরিচালিত হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে শেখ মুজিব মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে এই একাডেমীর যাত্রা শুরু। এই বিশ্বমানের একাডেমী সর্ব প্রথম পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিসত্দানের ২১ জন করে মোট ৪২ জন ক্যাডেট নিয়ে যাত্রা শুরু করে। যা বর্তমানে ১২০ জন করা হয়েছে। মেরিন একডেমীর উদ্দেশ্য হলো কৌশলসূচক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্যাডেটদের ওয়ার্ল্ড ক্লাস মেরিটাইম লিডার হিসাবে গড়ে তোলা। সর্বোপরি মেরিন একাডেমী  ক্যাডেটদের এমনভাবে গড়ে তোলে যেন তারা সমুদ্রের দু:সাহসিক নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জকে অসম সাহসিকতার সাথে গ্রহণ করতে পারে।

ভর্তির যোগ্যতা সমূহ:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিজ্ঞান শাখা থেকে SSC ও HSC উভয় পরীক্ষায় কমপক্ষে GPA-৩.৫০ পেয়ে পাশ করতে হবে এবং গণিত থাকতে হবে। (HSC গণিত GPA -৩.৫০, পদার্থ GPA -৩.৫০, ইংরেজিতে  GPA-৩.০০ পেতে হবে। HSC পরীক্ষার্থীরাও মেরিন একাডেমী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে)।

শারীরিক যোগ্যতা- পুরুষ

  • শারীরিক যোগ্যতাঃ পুরুষ- উচ্চতা-৫'৪'' (নূ্যনতম),
  • ওজন- ৫০ কেজি (উচ্চতা অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে)  
  • বুকের মাপ-৩০',
  • বয়স-২১ বছর (সবোচ্চ),
  • দৃষ্টিশক্তি- ৬/৬ (নটিক্যাল), ৬/১২ (ইঞ্জিনিয়ারিং)।

শারীরিক যোগ্যতা-মহিলা

  •  উচ্চতা-৫' (নূ্যনতম), ওজন- উচ্চতা অনুযায়ী আনুপাতিক হারে,
  • দৃষ্টিশক্তি- ৬/৬ (নটিক্যাল), ৬/১২ (ইঞ্জিনিয়ারিং),
  • বয়স-২১ বছর (সবের্াচ্চ)।

 

  • নির্বাচন পদ্ধতিঃ লিখিত পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের যোগফলের ভিত্তিতে ক্যাডেট নির্বাচিত হয়। আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: 

 

মেরিন ফিশারিজ একাডেমী:

  • ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। এই একাডেমী থেকে এ পর্যনত্দ ৩১টি ব্যাচ অতিক্রম করেছে। ২০১১ সালে ৩৩তম ব্যাচের নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ২০১২ সালে ক্যাডেটবৃন্দ একাডেমীতে যোগদান করে। একাডেমী স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের মৎস জাহাজ চলাচলের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি। একাডেমী থেকে পাশ করা ক্যাডেটবৃন্দ যে শুধু বাংলাদেশেই কাজ করছে তা নয়, তারা দেশের চাহিদা পূরণ করে বহিঃবিশ্বের জাহাজে কাজ করেও ব্যাপক সুনাম অর্জন করছে এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিজ্ঞান শাখা থেকে SSC ও HSC উভয় পরীক্ষায় কমপক্ষে GPA-2.50 পেয়ে পাশ করতে হবে এবং গণিত থাকতে হবে। (HSC পরীক্ষার্থীরাও ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে)।
  • শারীরিক যোগ্যতাঃ উচ্চতা-৫'৪'' (নূ্যনতম), ওজন-৫০ কেজি, বুকের মাপ-৩০'', বয়স-২১ বছর (সবের্াচ্চ)। মহিলা- উচ্চতা-৫' (নূ্যনতম), ওজন- উচ্চতা অনুযায়ী আনুপাতিক হারে, দৃষ্টিশক্তি- ৬/৬ (নটিক্যাল), ৬/১২ (ইঞ্জিনিয়ারিং), বয়স-২১ বছর (সবের্াচ্চ)।
  • নির্বাচন পদ্ধতিঃ লিখিত পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের যোগফলের ভিত্তিতে ক্যাডেট

 

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ প্রার্থীকে অবশ্যই জন্মগতভাবে/নাগরিকত্ব গ্রহণে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। প্রার্থীর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা বোর্ড/কারিগরী শিক্ষা বোর্ড হতে SSC কিংবা তার সমমান এবং HSC কিংবা তার সমমানের পরীক্ষায় GPA যথাক্রমে 4.5 এবং 4.5 (চতুর্থ বিষয় বাদে) থাকতে হবে। উল্লেখ্য যে, গণিত, পদার্থ ও রসায়ন বিষয়ে গড় গ্রেড পয়েন্ট 4.5 থাকতে হবে।
  • ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহঃ পদার্থ-৩০, গণিত-৩০, রসায়ন-৩০, ইংরেজি-১০ মোট=১০০, SSC GPA-40, HSC GPA-60 Total = 100
  • সর্বমোট = ২০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

 

ঢাকা বিশ্বঃ 'ক' ইউনিট:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ ২০১১-২০১২ সনে বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান/কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা অথবা মাদ্রাসা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম পরীক্ষায় উত্ত্বীর্ণ যে সকল শিক্ষাথর্ী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের গ্রেড ভিত্তিক পরীক্ষাদ্বয়ে ৪র্থ বিষয় বাদ দিয়ে একত্রে মোট জিপিএ অনত্দত ৮.০০ পেয়েছে তারা আবেদন করতে পারে।
  • যে সকল শিক্ষাথর্ী জি.সি.ই 'ও' লেভেল অনত্দত ৫টি বিষয়ে এবং ২০০৯ বা ২০১০ সনের 'এ' লেভেলে বিজ্ঞানের অনত্দতঃ দুইটি বিষয়ে উত্ত্বীর্ণ হয়েছে এবং উপরোক্ত ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৩টি বিষয়ে অনত্দত 'বি' গ্রেড এবং অপর ৪টি বিষয়ে অনত্দতঃ 'সি' গ্রেড পেয়েছে তারাও এই ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। অন্যান্য ডিপ্লোমা বা সার্টিফিকেট প্রাপ্ত শিক্ষাথর্ীগণ জীববিজ্ঞান অনুষদের ডীনের অনুমতি প্রদান সাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
  • ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিঃ সর্বমোট ১২০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং সময় থাকবে ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট। ভর্তি পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী হবে। প্রতি বিষয়ের জন্য ৩০ নম্বর এবং প্রত্যেক শিক্ষাথর্ীকে ৪টি বিষয়ের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে এবং তা বিষয় ভিত্তিক সমন্বয় করা হবে। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক অথবা সমমানের পর্যায়ে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞান বিষয় অধ্যয়ণ করেছে এবং এর মধ্যে ১টি ৪র্থ বিষয় হয় তবে পরীক্ষাথর্ী ইচ্ছে করলে শুধুমাত্র ৪র্থ বিষয়ের পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি পরীক্ষা দিতে পারবে। যে সকল ছাত্র-ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উপরিউক্ত ৪টি বিষয়ের মধ্যে যেসব বিষয় (সবের্াচ্চ ২টি) অধ্যয়ণ করেনি তাদেরকে সেগুলোর পরিবর্তে বাংলা অথবা/এবং ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে মোট ৪টি বিষয় পূরণ করতে হবে। একজন প্রাথর্ী যে ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিবে তার উপর নির্ভর করবে সে কোন বিভাগে বা বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে। উচ্চ মাধ্যমিকে যদি গণিত ও জীববিজ্ঞান ছিল না তাদের বাংলা অথবা ইংরেজির উত্তর করতে হবে। মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রাথর্ীদের অর্জিত মেধাস্কোরের ক্রমানুসারে মেধা তালিকা তৈরী করা হবে। এজন্য মাধ্যমিক/'ও' লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত (৪র্থ বিষয় যদি থাকে, বাদ দিয়ে) জিপিএ-কে ১৫% (SSC-এর ক্ষেত্রে প্রাপ্ত জিপিএ কে ৬ দিয়ে গুণ) উচ্চ মাধ্যমিক/'এ' লেভেল বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত (৪র্থ বিষয় যদি থাকে, বাদ দিয়ে) জিপিএ কে ২৫% (HSC-র ক্ষেত্রে প্রাপ্ত জিপিএ-কে ১০ দিয়ে গুণ) এবং ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরকে ৬০% (১২০ নম্বর) আপেক্ষিক গুরুত্ব দিয়ে মোট ২০০ নম্বরের উপর মেধাস্কোর নির্ণয় করে তার ক্রমানুসারে মেধা তালিকা তৈরী করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর ৪৮।

 

 

Marine Guide Coaching Admission 2018
Downloads
View More
Important Links
View More
  • Follows us our servcies
Top